বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
61 জন দেখেছেন
"ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে করেছেন (7,927 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন

1 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (10,768 পয়েন্ট)
আল্লাহ তায়ালা প্রথমত মানুষকে তথা আদম (আঃ)-কে সৃষ্টি করেছেন মাটি হতে। তাকে মাটি থেকে সৃষ্টি করার পর দেহে প্রাণ সঞ্চার করেন।

আল্লাহ তায়ালাঃ মানব সৃষ্টির সূচনা করেছেন কাদামাটি দিয়ে। (সূরা সিজদাহঃ ৭)

এরূপ সূরা রূমের ২০ নং আয়াতে বলা হয়েছে।

পিতার মেরুদন্ড থেকে নির্গত তরল পদার্থের নির্যাস শুক্রাণু আর মায়ের পাঁজর থেকে নির্গত তরল পদার্থের ডিম্বাণুর মিশ্রণ ঘটে উভয়ের মিলনের মাধ্যমে। এ মিশ্র তরল পদার্থ নিরাপদ স্থান মায়ের জরায়ুতে রেখে দেন, সেখানে প্রবেশ করা হাজারো ডিম্বানু ও শুক্রাণু থেকে আল্লাহর ইচ্ছানুযায়ী শুক্রাণু হতে সন্তান পয়দা করা হয়। দলীলসহ বিস্তারিত আলোচনা করা হল আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ

আমি কি তোমাদেরকে নগণ্য পানি হতে সৃষ্টি করিনি? অতঃপর আমি তাকে স্থাপন করেছি এক নিরাপদ স্থানে। (সূরা মুরসালাতঃ ২০-২১)

আর এ শুক্রবিন্দুর উৎস স্থল হল পিতার পিঠ ও মায়ের বুক, যে শুক্রবিন্দুর উৎস স্থল সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ

সুতরাং মানুষের লক্ষ্য করা উচিত যে, তাকে কিসের দ্বারা সৃষ্টি করা হয়েছে । তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে প্রবল বেগে নির্গত পানি হতে, যা বের হয় পিঠ ও বুকের হাড়ের মধ্য হতে। (সূরা তারিকঃ ৫-৭)

এরপর এ শুক্রবিন্দুকে পরিণত করা হয় রক্তপিণ্ডে অতঃপর সেটাকে পরিণত করা হয় মাংসপিণ্ডে অতঃপর অস্থি এবং অস্থিকে ঢেকে দেয়া হয় গোশত দ্বারা। আল্লাহ তায়ালার বাণীঃ

তিনিই তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন মাটি হতে, পরে শুক্রবিন্দু হতে, তারপর বের করেন শিশুরূপে, অতঃপর যেন তোমরা উপনীত হও যৌবনে, তারপর হও বৃদ্ধ। (সূরা মুমিনঃ ৬৭)

অবশেষে এগুলো থেকে পূর্ণাকৃতির মানুষ সৃষ্টি করা হয়। আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ

মানুষ কি মনে করে যে, তাকে এমনিই ছেড়ে দেয়া হবে? সে কি নিক্ষিপ্ত শুক্রবিন্দু ছিল না? অতঃপর সে রক্তপিন্ডে পরিণত হয়। তারপর তাকে আকৃতি দান করেন এবং সুঠাম করেন। তারপর তিনি তা হতে সৃষ্টি করেন জোড়া জোড়া পুরুষ ও নারী। তবুও কি তিনি মৃতকে পুনর্জীবিত করতে সক্ষম নন? (সূরা কিয়ামাহঃ ৩৬-৪০)

এ সম্পর্কে সূরা হজ্জ-এর ৫ নং আয়াতে আলোচনা করা হয়েছে।

এরপর আল্লাহ তায়ালা বলেন, এ সৃষ্টির পর অর্থাৎ তোমাদের আয়ুষ্কাল শেষ হবার পর তোমরা অবশ্যই মৃত্যুবরণ করবে। আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ

প্রতিটি প্রাণীই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে; অতঃপর তোমরা আমারই দিকে প্রত্যাবর্তিত হবে। (সূরা আনকাবুতঃ ৫৭)

এবং সর্বশেষে কিয়ামত দিবসে তোমাদেরকে পুনরায় জীবিত করা হবে যেমনভাবে তোমাদেরকে প্রথমবার সৃষ্টি করা হয়েছিল। আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ

কিভাবে তোমরা আল্লাহকে অস্বীকার করছ? অথচ তোমরা নির্জীব ছিলে, পরে তিনিই তোমাদেরকে জীবন দান করেছেন, এরপর তিনি তোমাদের মৃত্যু ঘটাবেন, পরে আবার জীবিত করবেন, অবশেষে তোমাদেরকে তাঁরই দিকে ফিরে যেতে হবে। (সূরা বাকারাহঃ ২৮)

মানবজাতি যেকোন ধরনের খাবার খেয়ে বেঁচে থাকে। মৃত্যুর পর তাঁদের কবর দেওয়া হয়। (অন্যান্য ধর্মের কথা ভিন্ন) এরপর তাদের তিনটি প্রশ্ন করা হয় উত্তর দিতে পারলে জান্নাতি পা পারলে জাহান্নামি।
সাবির ইসলাম অত্যন্ত ধর্মীয় জ্ঞান পিপাসু এক জ্ঞানান্বেষী। জ্ঞান অন্বেষণ চেতনায় জাগ্রতময়। আপন জ্ঞানকে আরো সমুন্নত করার ইচ্ছা নিয়েই তথ্য প্রযুক্তির জগতে যুক্ত হয়েছেন নিজে জানতে এবং অন্যকে জানাতে। লক্ষ কোটি মানুষের নীরব আলাপনের তীর্থ ক্ষেত্রে যুক্ত আছেন একজন সমন্বয়ক হিসেবে।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
07 অগাস্ট 2019 "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন petrol munna (52 পয়েন্ট)

364,190 টি প্রশ্ন

459,983 টি উত্তর

144,238 টি মন্তব্য

191,686 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...