বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
92 জন দেখেছেন
"ইসলাম" বিভাগে করেছেন (7,927 পয়েন্ট)
পূনঃরায় খোলা করেছেন
এ বিষয়ে ইসলামিক বা গ্রহণযোগ্য ব‍্যাখ‍্যা কী?

2 উত্তর

+1 টি পছন্দ
করেছেন (17,320 পয়েন্ট)
নির্বাচিত করেছেন
 
সর্বোত্তম উত্তর

 রসূলল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন : কাউসার বলতে দু'টি জিনিস বুঝানো হয়েছে। একটি হচ্ছে " হাউজে কাউসার " এটি কিয়ামতের ময়দানে তাঁকে দান করা হবে। আর দ্বিতীয়টি " কাউসার ঝরণাধারা। " এটি জান্নাতে তাঁকে দান করা হবে। 

হাউজে কাউসার কুরআনে বর্ণিত হয়েছে। এর আকার প্রকৃতি হাদীস শরীফে বিস্তারিত বর্ণিত হয়েছে। যেমন, সাহল ইবন সা’দ (রা) ও অন্যান্য সাহাবী বর্ণিত হাদীসে রাসূলুল্লাহ সা. বলেন: ‘‘আমি তোমাদের আগে হাউযে গিয়ে তোমাদের জন্য অপেক্ষা করব। যে আমার কাছে যাবে সে (হাউয) থেকে পান করবে, আর যে পান করবে সে আর কখনো পিপাসার্ত হবে না।


অনেক মানুষ আমার কাছে (হাউযে পানি পানের জন্য) আসবে, যাদেরকে আমি চিনতে পারব এবং তারাও আমাকে চিনতে পারবে, কিন্তু তাদেরকে আমার কাছে আসতে দেওয়া হবে না, বাধা দেওয়া হবে। আমি বলব: এরা তো আমারই উম্মত। তখন উত্তরে বলা হবে : আপনি জানেন না, এরা আপনার পরে কী-সব নব উদ্ভাবন করেছিল। (দ্বিতীয় বর্ণনায় : আপনার পরে তারা কী আমল করেছে তা আপনি জানেন না।) তখন আমি বলব: যারা আমার পরে (আমার দ্বীনকে) পরিবর্তিত করেছে তারা দূর হয়ে যাক, তারা দূর হয়ে যাক!’’ (বুখারী, আস-সহীহ ৫/২৪০৬ (কিতাবুর রিকাক, বাবুন ফিল হাউয)।


অন্য এক হাদীসে এসেছে, আনাস ইবন মালিক (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. বলেন: ‘‘ফিলিস্তিন থেকে ইয়ামানের সান‘আ পর্যন্ত যে দূরত্ব আমার হাউযের পরিমাণ তদ্রƒপ। তথায় পানপাত্রের সংখ্যা আকাশের তারকারাজির ন্যায়।’’ (বুখারী, আস-সহীহ ৫/২৪০৫ (কিতাবুর রিকাক, বাবুন ফিল হাউয); মুসলিম, আস-সহীহ ৪/১৮০০ (কিতাবুল ফাদাইল, বাবু ইসবাতি হাউযি নাবিয়্যিনা )।


আরেক হাদীসে এসেছে, আব্দুল্লাহ ইবন আমর (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ বলেন:‘‘আমার হাউযের প্রশস্ততা একমাসের পথ। এর সকল কোণ সমান। এর পানি দুধের (অন্য বর্ণনায় রৌপ্যের) চেয়েও শুভ্র এবং মেশকের চেয়েও অধিক সুগন্ধ। তার পানপাত্রের সংখ্যা আকাশের তারকারাজির ন্যায়। যে ব্যক্তি এ থেকে পান করবে সে আর কখনো পিপাসার্ত হবে না।’’ (বুখারী, আস-সহীহ ৫/২৪০৫ (কিতাবুর রিকাক, বাবুন ফিল হাউয); মুসলিম, আস-সহীহ ৪/১৭৯৩ (কিতাবুল ফাদাইল, বাবু ইসবাতি হাউযি নাবিয়্যিনা) (বিস্তারিত)

+1 টি পছন্দ
করেছেন (729 পয়েন্ট)
বিস্তারিত লিখতে গেলে আমার অবস্থা**** ছোট করে লিখলাম হাশরের মাঠে রোদের তাপে যখন সবাই দৌড়াদৌড়ি করবে তখন আল্লাহ প্রত্যেক নবীকে একটি করে হাউজ দিবেন সবচেয়ে বড় হাউজটি মু.(স) এর ।এবং সবাই তার উম্মতদের পানি পান করাবে ।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
17 জানুয়ারি "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন ইভান আহমেদ (637 পয়েন্ট)
2 টি উত্তর
28 অক্টোবর 2018 "সাধারণ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন আলী রনি (20 পয়েন্ট)
1 উত্তর
04 জুলাই 2018 "সাধারণ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন abdulla al harun (11 পয়েন্ট)
2 টি উত্তর
19 এপ্রিল 2018 "ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন শফিক আহমেদ (18 পয়েন্ট)

364,190 টি প্রশ্ন

459,983 টি উত্তর

144,238 টি মন্তব্য

191,686 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...