বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
83 জন দেখেছেন
"ইসলাম" বিভাগে করেছেন (10,983 পয়েন্ট)

1 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (10,983 পয়েন্ট)
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন,
﴿لَا تَدۡخُلُواْ بُيُوتًا غَيۡرَ بُيُوتِكُمۡ حَتَّىٰ تَسۡتَأۡنِسُواْ وَتُسَلِّمُواْ عَلَىٰٓ أَهۡلِهَاۚ ذَٰلِكُمۡ خَيۡرٞ لَّكُمۡ لَعَلَّكُمۡ تَذَكَّرُونَ ٢٧ ﴾ [النور: ٢٧]  
“হে মুমিনগণ, তোমরা নিজদের গৃহ ছাড়া অন্য কারও গৃহে প্রশে করো না, যতক্ষণ না তোমরা অনুমতি নেবে এবং গৃহবাসীদেরকে সালাম দেবে। এটাই তোমাদের জন্য কল্যাণকর, যাতে তোমরা উপদেশ গ্রহণ কর”। [সূরা নূর, আয়াত: ২৭]
আল্লাহ্ তা‘আলা আরও বলেন,
﴿وَإِذَا بَلَغَ ٱلۡأَطۡفَٰلُ مِنكُمُ ٱلۡحُلُمَ فَلۡيَسۡتَ‍ٔۡذِنُواْ كَمَا ٱسۡتَ‍ٔۡذَنَ ٱلَّذِينَ مِن قَبۡلِهِمۡۚ ٥٩ ﴾ [النور: ٥٩]  
“আর তোমাদের সন্তান-সন্ততি যখন প্রাপ্তবয়স্ক হয়, তখন তারাও যেন অনুমতি প্রার্থনা করে যেমনিভাবে তাদের অগ্রজরা অনুমতি প্রার্থনা করত”। [সূরা নূর, আয়াত: ৫৯]

এক- আবু মুসা আশ‘আরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু’ হতে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম’ বলেন,
«الاستئذان ثلاث، فإن أذن لك وإلا فارجع» متفق عليه
“অনুমতি চাওয়া তিনবার। তারপর যদি তোমাকে অনুমতি দেয়, প্রবেশ কর, অন্যথায় ফেরত চলে আসবে”। [বুখারি মুসলিম ]

দুই- সাহাল ইবন সাআদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু’ হতে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম’ বলেন,
«إنما جعل الاستئذان من أجل البصر» متفق عليه.
“অনুমতি চাওয়ার বিধান রাখা হয়েছে, চোখের কারণে”। [বুখারি ও মুসলিম ]

তিন: রিব‘য়ী ইবন হিরাশ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, বনী আমের গোত্রের এক লোক আমাকে হাদিস বর্ণনা করেন,
استأذن على النبي  وهو في بيت فقال: «أألج؟» فقال رسول الله  لخادمه: «اخرج إلى هذا فعلمه الاستئذان فقل له: قل: السلام عليكم أأدخل؟ فسمعه الرجل فقال: السلام عليكم أأدخل؟ فأذن له النبي  فدخل. رواه أبو داود بإسناد صحيح».
“একদিন সে রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম’ এর নিকট ঘরে প্রবেশ করার অনুমতি চায়, তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম’ ঘরে অবস্থান করছিল। লোকটি বলল, আমি কি প্রবেশ করব? তার কথা শোনে রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম’ খাদেমকে ডেকে বলল, তুমি যাও এবং লোকটিকে অনুমতি চাওয়ার পদ্ধতি শেখাও। তুমি তাকে বল,  আসসালামু আলাইকুম, আমি কি প্রবেশ করব? লোকটি এ কথা শোনে বলল, আসসালামু আলাইকুম, আমি কি প্রবেশ করব? তারপর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম’ তাকে ঘরে প্রবেশ করার অনুমতি দিল এবং সে ঘরে প্রবেশ করল”। ইমাম আবু-দাউদ হাদিসটিকে সহীহ সনদে বর্ণনা করেন ।

চার- কালদা ইব্‌ন হাম্বল রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু’ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,
أتيت النبي  فدخلت عليه ولم أسلم فقال النبي  «ارجع فقل السلام عليكم أأدخل؟» رواه أبو داود والترمذي وقال: حديث حسن.
“আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম’ এর দরবারে এসে সালাম না দিয়ে তার নিকট প্রবেশ করলে, রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম’ আমাকে বললেন, ফিরে যাও! এবং বল, আসসালামু আলাইকুম আমি কি প্রবেশ করব”? বর্ণনায় আবু-দাউদ ও তিরমিযী , ইমাম তিরমিযী বলেন, হাদিসটি হাসান।








অনুমতি প্রার্থনাকারীকে তুমি কে? বললে, যে নাম বা উপাধিতে মানুষ তাকে চেনে, সে নাম বা উপাধি উল্লেখ করে বলবে- আমি অমুক, শুধু ‘আমি’ ‘আমি’ বলা মাকরূহ।

এক- আনাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু’ হতে বর্ণিত, মিরাজের প্রসিদ্ধ হাদিসে রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম’ বলেন,
«ثم صعد بي جبريل إلى السماء الدنيا فاستفتح فقيل من هذا؟ قال: جبريل" قيل: ومن معك؟ قال: محمد، ثم صعد إلى السماء الثانية والثالثة والرابعة وسائرهن، ويقال في باب كل سماء: من هذا؟ فيقول: جبريل» متفق عليه.
“রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম’ বলেন, তারপর জিবরীল আ. আমাকে নিয়ে দুনিয়ার আসমানে আরোহণ করেন এবং দরজা খুলে দেয়ার অনুরোধ করেন, তখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হল, তুমি কে? উত্তরে তিনি বললেন, আমি জিবরীল, তারপর জিজ্ঞাসা করা হল, তোমার সাথে কে? বলল, আমার সাথে মুহাম্মদ। তারপর তিনি দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ও সব আসমানে আরোহণ করেন। প্রতিটি আসমানের দরজায় তাকে বলা হয়, তুমি কে? তখন তিনি বলেন, আমি জিবরীল”। [বুখারি ও মুসলিম ]

দুই- আবু যর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু’ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,
خرجت ليلة من الليالي فإذا رسول الله  يمشي وحده فجعلت أمشي في ظل القمر، فالتفت فرآني فقال: «من هذا؟» فقلت: أبو ذر، متفق عليه.
“একরাত আমি ঘর থেকে বের হয়ে দেখতে পেলাম, রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম’ চাদের আলোতে একা একা হাঁটছে। তারপর সে ঘুরে দাঁড়ালে আমাকে দেখতে পেল এবং বলল, লোকটি কে? আমি বললাম, আমি আবু যর”। [বুখারি ও মুসলিম ]

তিন- উম্মে হানি রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা’ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,
أتيت النبي  وهو يغتسل وفاطمة تستره فقال: «من هذه؟» فقلت: أنا أم هانئ. متفق عليه.
“আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম’ এর দরবারে এসে দেখি, তিনি গোসল করছেন এবং ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু’ তাকে ডেকে রাখছেন। তারপর তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, কে সে? আমি বললাম: আমি উম্মে হানি”। [বুখারি ও মুসলিম ]

চার- জাবের রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু’ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন,
أتيت النبي  فدققت الباب، فقال: «من هذا؟» فقلت: أنا، فقال: «أنا أنا؟!» كأنه كرهها متفق عليه.
“আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম’ এর দরবারে আসি এবং তার দরজায় আওয়াজ করি। তিনি বললেন, লোকটি কে? আমি বললাম: আমি, এ কথা শোনে তিনি বললেন: আমি আমি! মনে হয় যেন, তিনি এ কথা বলাকে অপছন্দ করেন। [বুখারি মুসলিম ]

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
31 অগাস্ট 2014 "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Ferdausi (10,983 পয়েন্ট)
1 উত্তর
31 অগাস্ট 2014 "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Ferdausi (10,983 পয়েন্ট)
1 উত্তর
31 অগাস্ট 2014 "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Ferdausi (10,983 পয়েন্ট)

364,295 টি প্রশ্ন

460,045 টি উত্তর

144,268 টি মন্তব্য

191,766 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...