বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
1,364 জন দেখেছেন
"অর্থনীতি" বিভাগে করেছেন (10,983 পয়েন্ট)

1 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (10,983 পয়েন্ট)
কাঠামোগত দিক থেকে ঋণের উৎসকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন: প্রাতিষ্ঠানিক উৎস ও অ-প্রাতিষ্ঠানিক উৎস।

প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ বলতে এমন ঋণ নির্দেশ করে, যেসব ঋণ সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সরকারের স্বীকৃত আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ জোগান দেয়। ঋণের এসব উৎসকে প্রাতিষ্ঠানিক উৎস বলা হয়। একটি দেশে প্রাতিষ্ঠানিক ঋণদানের বিভিন্ন উৎস থাকে। বাংলাদেশে প্রাতিষ্ঠানিক উৎসগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বাণিজ্যিক ব্যাংক, শিল্প ব্যাংক, কৃষি ব্যাংক, গৃহনির্মাণ ঋণদান সংস্থা, সমবায় ব্যাংক, আমদানি-রপ্তানি ব্যাংক, কর্মসংস্থান ব্যাংক, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প ব্যাংক, বাংলাদেশ পুঁজি বিনিয়োগ সংস্থা, সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাসমূহ, গ্রামীণ ব্যাংকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান প্রাতিষ্ঠানিক ঋণের উৎস হিসেবে কাজ করে। এগুলোর মধ্যে বিশ্ব ব্যাংক, এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক, আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল, ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংক ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

অ-প্রতিষ্ঠানিক ঋণ বলতে এমন সব ঋণ নির্দেশ করে, যেসব ঋণ ব্যক্তি পর্যায়ে জোগান দেওয়া হয়। বাংলাদেশে অ-প্রাতিষ্ঠানিক ঋণের উৎসগুলো হলো গ্রাম্য মহাজন, দাদন ব্যবসায়ী, বিত্তশালী কৃষক, গ্রাম্য ব্যবসায়ী, দোকানদার, বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজন ইত্যাদি।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
31 মার্চ 2014 "অর্থনীতি" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন salehahmed (labib) (19,037 পয়েন্ট)
1 উত্তর
1 উত্তর
16 ফেব্রুয়ারি 2014 "অর্থনীতি" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Ferdausi (10,983 পয়েন্ট)
2 টি উত্তর
05 ডিসেম্বর 2019 "অর্থনীতি" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন নিতাই পাল (294 পয়েন্ট)

365,259 টি প্রশ্ন

460,979 টি উত্তর

144,512 টি মন্তব্য

192,362 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...