নতুন প্রজন্মকে বই প্রেমে উদ্বুদ্ধ করুন

Fashion 17

একটি বই লেখকের আহৃত জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও জীবনদর্শনের সমষ্টি। নিউটন, গ্যালিলিও, আইনস্টাইন, কিংবা রবীন্দ্র-নজরুলসহ বিখ্যাতদের বড় হওযসহ বিখ্যাতদের বড় হওয়ার পেছনে একটাই গল্প। আর সেটি হলো বই পড়া। বই আমুল পরিবর্তন নিয়ে আসে  জীবনদর্শনে। উন্মুক্ত করে মুক্তবুদ্ধিচর্চার দ্বারকে। বৃদ্ধি করে সৃজনশীলতা ও নৈতিকতা। সুন্দর ও সাফল্য অর্জনের প্রেরণা এবং শিক্ষা আমরা পেয়ে থাকি আমাদের পূর্বপুরুষের সঞ্চিত অভিজ্ঞতার ভান্ডার বই থেকে। জগতের মহান ব্যক্তিরা সবাই বই প্রেমী। বিশ্বের সবচেয়ে ধনী বিল গেটস প্রতি বছর শতাধিক বই পড়েন। ওয়ারেন বাফেট প্রতিদিন একটি বই পড়েন। শিক্ষা আজ জ্ঞানার্জন নয়, চাকরী অর্জনের মাধ্যম হিসেবে পরিণত হয়েছে। তাই এ.পি.জে. আবদুল কালাম বলেছেন- “যতদিন শিক্ষার উদ্দেশ্য শুধু চাকরী পাওয়া হবে, ততদিন সমাজে শুধু চাকররা জন্মাবে, মালিক নয়”। এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরীগুলো কোচিং সেন্টারে পরিণত হয়েছে। মহাজ্ঞানীদের রেখে যাওয়া জ্ঞানের ভান্ডার বহনকারী বইগুলো পোকায় কাটছে। আধিপত্য বিস্তার করছে কোচিং সেন্টারের কক্ষগুলো। গভেষণাগারগুলো বদ্ধঘরে পরিণত হয়েছে, যেখানে মাকড়সা জাল ছড়াচ্ছে আর ইঁদুররা বংশবিস্তার করছে। এ থেকে উত্তরণের জন্য আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা দরকার। গভেষণার সুষ্ঠ পরিবেশ দরকার এবং এ খাতে বরাদ্ধ বৃদ্ধি করা দরকার। বইকে নিত্যসঙ্গী হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। সন্তানের হাতে মা-বাবাকে বই তুলে দিতে হবে। উপহার হিসেবে বই দেয়ার রেয়াজ চালু করতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পুরস্কার হিসেবে থালাবাসনের পরিবর্তে বই দেয়ার রেয়াজ চালু করতে হবে।  

Topics:

নতুন প্রজন্মকে বই প্রেমে উদ্বুদ্ধ করুন

Login to comment Login

You're not logged-in.

Login  — or —  Create Account
Latest Jobs

ক্লোজউই বাংলাদেশে তৈরি