CV বা জীবনবৃত্তান্ত কিভাবে তৈরী করলে সহজেই চাকরি পাওয়া যায়? জেনে নিন।

Career 62

CV কিংবা জীবনবৃত্তান্ত হচ্ছে ব্যাক্তিগত জীবন সংক্রান্ত তথ্য। এখানে রয়েছে কোন ব্যাক্তির লিখিত বিবরণ যাতে তার ব্যাক্তিগত, লেখাপড়া ও অভিজ্ঞতার তথ্য সুন্দর ও সুস্পষ্টভাবে লিখিত থাকে। এটি সাধারণত চাকরির আবেদনপত্রের সাথে সংযুক্ত থাকে। অনেক সময় জীবনবৃত্তান্ত আলাদা ভাবে না দিয়ে আবেদন পত্রের সাথে সংযুক্ত করে দেওয়া হয়। বর্তমানে এই নিয়মটিই বেশি দেখা যায়, এবং এই পন্থাটিই সর্বোত্তম। একটা বিষয় খুব মাথায় রাখতে হবে সেটা হলো, একটা ভালো চাকরির জন্য একটা জীবনবৃত্তান্ত আদর্শস্বরুপ। সুতরাং ভালো চাকরির জন্য সুন্দরভাবে সাজানো জীবনবৃত্তান্তের বিকল্প নেই। কোনো কোনো সময় দেখা যায়, অনেক কোম্পানি জীবনবৃত্তান্ত দেখেই চাকরি দিয়ে দেয়! লিখিত কিংবা মৌখিক পরিক্ষার প্রয়োজন পড়ে না। আশ্চর্য হলেও এটাই সত্য। 

একটা জীবনবৃত্তান্ত তৈরী করতে কিছু নিয়ম অনুসরণ করতে হয়। সাধারণত জীবনবৃত্তান্তে শিক্ষাগত যৌগ্যতা ও অভিজ্ঞতাকে প্রাধান্য দেয়া হয়, সেই জন্য এই বিষয়গুলো লেখার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। খেয়াল রাখতে হবে, খাতার লিখার সময় আমরা যেসব সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করি, সেই সমস্ত চিহ্ন না লেখা। নিচে জীবনবৃত্তান্ত তৈরী নমুনা দেওয়া হলো :

১। নাম : (এখানে নিজের সার্টিফিকেটের উল্লিখিত নামটি লিখতে হবে, নাম লিখতে বানান সামান্য ভুল হলে চাকরি না পাওয়ার সম্ভাবনা ৯৯% থাকে। সুতরাং ভুল করা চলবে না।) 

২। পিতার নাম : (সার্টিফিকেটে উল্লিখিত নামটি লিখতে হবে)

৩। মাতার নাম : (সঠিকতা যাচাই-বাছাই করে লিখুন)

৪। বর্তমান ঠিকানা : (বর্তমানে কোথায় থাকেন? সেটি বিস্তারিত বুঝিয়ে লিখবেন)

৫। স্থায়ী ঠিকানা : (স্থায়ীভাবে কোন জায়গার বাসিন্দা? সেটা উল্লেখ করতে হবে।)

৬। জন্ম তারিখ : ( সার্টিফিকেটের সাথে মিল রেখে জন্ম তারিখ লিখতে হবে)

৭। ধর্ম : (আপনি যে ধর্ম বিশ্বাস করেন, সেটি লিখুন)

৮। জাতীয়তা : (আপনি যে দেশের বাসিন্দা ওই দেশটির নাম উল্লেখ করুন, বাংলাদেশের বাসিন্দা হলে “বাংলাদেশি” লিখুন)

৯। মোবাইল নাম্বার : (এখানে আপনার মোবাইল নাম্বার লিখুন। যেটি সর্বদা আপনি ব্যবহার করেন।)

১০। ইমেল : (ইমেল থাকলে লিখে দিন। ইহা আপনার সিভি এর মান বাড়িয়ে দেয়।)

১১। শিক্ষাগত যোগ্যতা : (জীবনবিত্তান্তে আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়োগ দাতাদের আকর্ষণ করার মুল বিষয়। এখানে শিক্ষাগত যোগ্যতা বিস্তারিত লিখুন।)

১২। অভিজ্ঞতা : (আপনার চাকরি নিশ্চয়তার অভিনব মাধ্যম হলো অভিজ্ঞতা। যা অতি সহজেই আপনার চাকরি পাইয়ে দিবে। অভিজ্ঞতা থাকলে সেটা সুস্পষ্টভাবে সেটা উল্লেখ করুন।)

১৩। রেফারেন্স : (রেফারেন্স আপনার চাকরি পেতে সহায়তা করে। রেফারেন্স হিসেবে কেউ থাকলে যতা সম্ভব এড করুন) 

Topics: CV সিভি জীবনবৃত্তান্ত তৈরী নিয়ম

CV বা জীবনবৃত্তান্ত কিভাবে তৈরী করলে সহজেই চাকরি পাওয়া যায়? জেনে নিন।

Login to comment login

Latest Jobs