Posted By

ভাইভা বোর্ডে নিজেকে উপস্থাপন করার জন্য কিছু সহজ কৌশল দেখুন।

Career 110

 

ইন্টারভিউ র্বোডে নিজেকে উপস্থাপনের আগেই জীবনবৃত্তান্ত বা বায়োডাটা উপস্থাপন করার প্রয়োজন হতে পারে। এ জন্য জীবনবৃত্তান্ত তৈরির সময় আপনাকে অবশ্যই কৌশলী হতে হবে। চাকরী প্রার্থীর যত ভালো অর্জন, তা জীবনবৃত্তান্তে আগে লিখতে হবে। আর এতে যেন প্রয়োজনীয় সব তথ্য থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। জীবন বৃত্তান্তে কোন বানান বা ব্যাকরণগত ভুল যাতে না হয় সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে। 

ভাইভা র্বোডে আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতার ও অভিজ্ঞতার প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র সঙ্গে নিতে হবে। চাকরির আবেদনের সময় এসব কাগজপত্র দিতে হয়, তাই এসব কাগজপত্র নিয়োগদাতাদের কাছে থাকলেও এসব সঙ্গে করে নিতে হবে।  ভাইভা র্বোডের সদস্যরা যেকোন সময় এসব চেয়ে বসতে পারেন। এ ছাড়া সঙ্গে জীবনবৃত্তান্ত ও ছবি রাখুন। আর একটি কলমও সঙ্গে রাখা দরকার। আর এসব রাখার জন্য ভালো মানের একটি ব্যাগ বা ব্রিফকেস সঙ্গে রাখতে পারেন। তবে একটি বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরী হাতের ব্যাগ টেবিলের ওপর না রেখে পাশে কোথাও রাখা উচিৎ।

সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় আপনার মধ্যে যেন কোনো প্রকার ক্লান্তিভাব না আসে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। অনেকে সারা রাত জেগে বা গভীর রাত পর্যন্ত পড়ালেখা করে সকালে ভাইভা দিতে আসেন। এতে চেহারায় ক্লান্তির ছাপ স্পষ্ট হয়ে উঠে। নিজেকে সতেজভাবে উপস্থাপনের জন্য আগের দিন রাতে ভালো ঘুমের প্রয়োজন।  তাই বেশি রাত না জেগে ঘুমিয়ে পড়ে সকালে ভালোভাবে গোসল করে ভাইভা বোর্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হোন।

অনেকেই নির্দিষ্ট সময়ের সাক্ষাৎকার র্বোডে এসে হাজির হন। এই সময় মতো আসতে না পারাটাই আপনার অযোগ্যতা প্রমাণের জন্য যথেষ্ট। ভাইভা বোর্ডে কোনোক্রমেই দেরি করে উপস্থিত হবেন না। 

 

ইন্টারভিউ বোর্ডে প্রবেশের সময় সালাম দিয়ে প্রবেশ করুন। প্রবেশের পর অনুমতি না নিয়েই পড়বেন না। অনেকে কথা বলার সময় হাত-পা নাড়ে। ভাইভা বোর্ডে কখনোই এ রকম করবেন না। আর একটি বিষয় বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে, যখন যে ব্যক্তি আপনাকে প্রশ্ন করবেন, তাঁর দিকে তাকিয়ে প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। 

 

ভাইভা দেওয়ার সময় কথা বলার ক্ষেত্রে আঞ্চলিকতা যেনে প্রকাশ না পায় সেদিকে সজাগ থাকতে হবে। কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন আঞ্চলিক টান না এসে যায়। সব সময় শুদ্ধ উচ্চারণে কথা বলতে হবে। ইংরেজি বলার সময়ও উচ্চারণের বিষয় সতর্ক থাকতে হবে। 

 

ভাইভা বোর্ডে প্রবেশের আগে কোনোক্রমেই ধূমপান করবেন না। ভাইভার আগে ধূমপান পরিহার করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। আপনি যদি ধূমপান করে আসেন আর ধূমপানের আপনার মুখ থেকে যদি সিগারেটের গন্ধ বেরোতে থাকে তবে ভাইভা বোর্ডে যাঁরা থাকবেন তাঁরা বিষয়টি সহজভাবে নেবেন না। এটি আপনার অযোগ্যতা প্রমাণের জন্য যথেষ্ট। অনেকে পান খাওয়ারও অভ্যাস রয়েছে। এটি আপনাকে পরিহার করতে হবে। 

 

ভাইভা বোর্ডে যে বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে শুধু সে বিষয়েরই উত্তর দিতে হবে। বেশি কথা বলা বা অপ্রাসঙ্গিক কোনো বিষয়কে টেনে আনা ঠিক হবে না। আবার গোমড়া মুখে বসে থাকলেও কিন্তু তা অযোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে। সব প্রশ্নের যে উত্তর জানা থাকবে তা কিন্তু নয়। না পারলে বিনীতভাবে বলতে হবে সরি স্যার, পারছি না। 

 

ভাইভা বোর্ডে যে প্রশ্নগুলো প্রায়ই করা হয়-

 

১. আপনার নাম কী?

২. আপনার নামের অর্থ কী?

৩. এই নামের একজন বিখ্যাত ব্যক্তির নাম বলুন।

৪. আপনার বয়স কত?

৫. আপনার জেলা বিখ্যাত কেন? ইত্যাদি

 

Topics:

ভাইভা বোর্ডে নিজেকে উপস্থাপন করার জন্য কিছু সহজ কৌশল দেখুন।

Login to comment login

Latest Jobs