Posted By

স্বপ্নের ডুয়েট সম্পর্কিত কিছু তথ্য

Education 38

#DUET (ডুয়েট) #Dhaka_University_of_Engineering_and_Technology অর্থাৎ ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

ডুয়েট হলো দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে শুধুমাত্র ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী ধারী শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে পারে। ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের অন্যতম স্বপ্নের জায়গা এটি।  ১৯৮০ সালে ১২০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং হিসেবে যাত্রা শুরু করে ডুয়েট। ১৯৮৩ সালে কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং এর নাম পরিবর্তন করে ঢাকা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ নামে গাজীপুরের বর্তমান ক্যাম্পাসে স্থানান্তর করা হয়। প্রতি বছর এই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ৬২০ জন ছাত্রছাত্রী প্রকৌশল এবং স্থাপত্যবিদ্যায় স্নাতক ডিগ্রী অর্জনের জন্য ভর্তি হয়ে থাকে। যেখানে গতবছর ভর্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলো জয়ের নেশায় অদম্য বারো হাজারেরও বেশী শিক্ষার্থী।

ডুয়েটের ডিপার্টমেন্ট ও আসন সংখ্যা সমূহঃ

ইলেকট্রিক্যাল এবং ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ -১২০ সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ-১২০ কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ- ১২০ ‌মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ-১২০ টেক্সটাইল বিভাগ-৬০ ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ-৩০ ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ- ৩০ আর্কিটেকচার বিভাগ-৩০

ডুয়েট ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য নুন্যতম যোগ্যতাঃ এসএসসি তে GPA- 3:00 ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং এ CGPA- 3:00

কেবলমাত্র এই যোগ্যতা থাকলেই আপনি ডুয়েট ভর্তি পরীক্ষার জন্য ফরম ফিলাপ করতে পারবেন। এরপর আপনাকে লিখিত পরীক্ষা দিতে হবে।

ডুয়েট এর পরীক্ষা পদ্ধতিঃ নন-ডিপার্টমেন্টের জন্য যে যে বিষয়ের বইগুলো পড়তে হবেঃ গনিত পদার্থ রসায়ন ইংরেজি এই চারটি বই সব ডিপার্টমেন্টের জন্য পড়তে হবে। এই চারটি বিষয়ে সর্বমোট ১৫০ নম্বর থাকবে এবং ডিপার্টমেন্টের জন্য সর্বমোট ১৫০ নম্বর থাকবে। এই দুটি বিষয় থেকে প্রায় ৭৫% থেকে ৮০% নম্বরের লিখিত পরীক্ষা হবে এবং বাকি ২০% থেকে ২৫% এম সি কিউ থাকবে। তবে নন ডিপার্টমেন্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পারলে ডিপার্টমেন্ট পরীক্ষার খাতা দেখা হবে না।

ডুয়েট ভর্তির নিয়মাবলী বিস্তারিত পাবেন ডুয়েট প্রসপেক্টাস এ। আরো জানতে ডুয়েটের ওয়েবসাইট থেকে ঘুরে আসতে পারেন।

ডুয়েট ভর্তি পরীক্ষার জন্য করণীয়ঃ ১. কনফিডেন্স রাখুন।  সময় নষ্ট না করে আপনি ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়তে থাকা অবস্থায় প্রিপারেশন নেওয়া শুরু করে দিন। বিশেষ করে পলিটেকনিক এর প্রথম বা দ্বিতীয় সেমিস্টারে থাকা অবস্থা থেকেই। ২.পলেটেকনিক বোর্ডের প্রশ্ন গুলো সাধারণত ঘুরেফিরে  হয়ে থাকে। অনেক ছাত্র-ছাত্রীদেরকে দেখা যায় যে তারা অনেক টপিক না পড়ে এড়িয়ে যায় এবং পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে থাকে। কিন্তু ডুয়েটের ক্ষেত্রে বেপারটা সম্পূর্ণ আলাদা। আপনি যেহেতু ডুয়েট এ ভর্তি হবেন সেহেতু আপনাকে সবগুলো টপিক ভালভাবে জানতে হবে। এড়িয়ে যাওয়ার কোন অপশন নেই। ৩. ভালো দেখে কোনো ডুয়েট ভর্তি গাইড কিনে নিতে পারেন। ৪. ডিপার্টমেন্ট বই এর পাশাপাশি নন ডিপার্টমেন্ট বই ও শুরু থেকেই পড়তে পারেন। ৫. সময় বের করে ডুয়েট ক্যাম্পাস থেকে একবার এসে ঘুরে যান। এতে আপনার ইচ্ছাশক্তি আরো বেরে যাবে। ৬. ভয় পাবেন না।  প্রথমে সবকিছু কঠিন মনে হলেও পরে সহজ লাগবে। ৭. সর্বোপরি, বিশ্বাস রাখুন যে আপনি পারবেন।  মিল্টন বলেছেন- “ বিশ্বাস জীবনকে গতিময়তা দান করে, আর অবিশ্বাস জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে ”

 

 

 

 

 

 

Topics: ডুয়েট ডুয়েট ভর্তি তথ্য ডুয়েটের আসন সংখ্যা ডুয়েট প্রিপারেশন ডুয়েট ভর্তি গাইড

স্বপ্নের ডুয়েট সম্পর্কিত কিছু তথ্য

Login to comment login

Latest Jobs