ডায়াবেটিক রোগীদের যে ৫টি বিষয় একান্ত আবশ্যক

Health 284

 

ডায়বেটিস রোগীদের যে ৫টি বিষয় একান্ত আবশ্যক 

 

ডায়বেটিস এমন একটি রোগ যা রক্তে  গ্লুকোজের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এ রোগটি সম্পুর্ণ নিরাময় করা  যায় না কিন্তু নিয়ন্ত্রনে রাখা  যায়। অনিয়ন্ত্রিত ডায়বেটিস শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করে। রক্তে অতি মাত্রায় গ্লুকোজ চোখ, কিডনি এবং নার্ভ নষ্ট করে দেয়। এ ছাড়াও হার্ট এটাক, ব্রেইন স্ট্রোক এর মতো প্রাণঘাতী রোগ সৃষ্টি করে  এই  ডায়বেটিস। তাই ডায়বেটিস এর রোগীদের সুস্থভাবে বেচে থাকার জন্য নিচের এ বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে। 

 

 

১। পরীক্ষা করান

আপনার রক্তের গ্লুকোজের পরিমাণ পরিবর্তনশীল। আাপনি যা খাবেন বা পান করবেন কিংবা ঔষধ সেবন করবেন তার সবই গ্লুকোজের মাত্রায় পরিবর্তন আানে । তাই দিনে অন্তত একবার ব্লাড সুগার টেস্ট করুন।

 

২। শরীরের লক্ষনগুলি জানুন  

গ্লুকোজের পরিমাণ কম  বেশি হওয়ার কারণে শরীরে  কিছু লক্ষন দেখা দেয়।  এগুলো জানা থাকলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া যায়। 

রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে গেলে সাধারণত  মুখ শুকিয়ে যায়, ঘন ঘন প্রস্রাব হয়, ওজন কমে যায়। এ অবস্থাকে বলা হয় হাইপারগ্লাইসেমিয়া। 

 

  রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমে গেলে ক্ষুধা লাগে, মাথা ঘোরে, চোখে ঝাপসা মনে হয় । এ অবস্থাকে বলা হয়  হাইপোগ্লাইসেমিয়া। এ লক্ষণগুলো দেখা গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নিন। তা নাহলে আরো মারাত্মক পরিস্থথিতি সৃষ্টি হতে পারে। 

 

৩। হাল্কা খাবার সঙ্গে রাখুন

ব্যস্ততার কারণে হয়তো আপনি খাওয়ার সময় পান না। কিন্ত ডায়বেটিক রোগীদের জন্য  খাবার হচ্ছে জ্বালানি স্বরূপ। তাই কিছু  হাল্কা খাবার সঙ্গে রাখুন। চকোলেট, বিস্কুট, বাদাম কিংবা কোন ফল।

 

৪। ইমারজেন্সি 

আপনার ঔষধ হঠাৎ শেষ হয়ে গেলেও যাতে সমস্যায় পড়তে না  হয়, তাই অন্তত ৩ দিনের ঔষধ আলাদা রেখে দিন। সুগার মাপার টেস্ট কিট এমন জায়গায় রাখুন যাতে সহজেই পাওয়া যায় । 

৫। রুটিন মাফিক জীবনযাপন  

নিয়মতান্ত্রিক ও রুটিন মাফিক  জীবনযাপন ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রনের জন্য আবশ্যক। তাই প্রতিদিনের জন্য একটি রুটিন তৈরি করুন । কখন এক্সারসাইজ করবেন, কখন খাবার খাবেন, কোন ঔষধ কখন খেতে হবে তার একটি 

তালিকা তৈরী করুন।  

 

ডায়বেটিস যদিও  সম্পুর্ন ভালো করা যায় না, তবুও নিয়ম মতো জীবনযাপন করলে সম্পুর্ণ সুস্থ মানুষের মত বেঁচে থাকা যায়   ।

 

 

ডায়বেটিস এমন একটি রোগ যা রক্তে  গ্লুকোজের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এ রোগটি সম্পুর্ণ নিরাময় করা  যায় না কিন্তু নিয়ন্ত্রনে রাখা  যায়। অনিয়ন্ত্রিত ডায়বেটিস শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করে। রক্তে অতি মাত্রায় গ্লুকোজ চোখ, কিডনি এবং নার্ভ নষ্ট করে দেয়। এ ছাড়াও হার্ট এটাক, ব্রেইন স্ট্রোক এর মতো প্রাণঘাতী রোগ সৃষ্টি করে  এই  ডায়বেটিস। তাই ডায়বেটিস এর রোগীদের সুস্থভাবে বেচে থাকার জন্য নিচের এ বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে। 

 

 

১। পরীক্ষা করান

আপনার রক্তের গ্লুকোজের পরিমাণ পরিবর্তনশীল। আাপনি যা খাবেন বা পান করবেন কিংবা ঔষধ সেবন করবেন তার সবই গ্লুকোজের মাত্রায় পরিবর্তন আানে । তাই দিনে অন্তত একবার ব্লাড সুগার টেস্ট করুন।

 

২। শরীরের লক্ষনগুলি জানুন  

গ্লুকোজের পরিমাণ কম  বেশি হওয়ার কারণে শরীরে  কিছু লক্ষন দেখা দেয়।  এগুলো জানা থাকলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া যায়। 

রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে গেলে সাধারণত  মুখ শুকিয়ে যায়, ঘন ঘন প্রস্রাব হয়, ওজন কমে যায়। এ অবস্থাকে বলা হয় হাইপারগ্লাইসেমিয়া। 

 

  রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমে গেলে ক্ষুধা লাগে, মাথা ঘোরে, চোখে ঝাপসা মনে হয় । এ অবস্থাকে বলা হয়  হাইপোগ্লাইসেমিয়া। এ লক্ষণগুলো দেখা গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নিন। তা নাহলে আরো মারাত্মক পরিস্থথিতি সৃষ্টি হতে পারে। 

 

৩। হাল্কা খাবার সঙ্গে রাখুন

ব্যস্ততার কারণে হয়তো আপনি খাওয়ার সময় পান না। কিন্ত ডায়বেটিক রোগীদের জন্য  খাবার হচ্ছে জ্বালানি স্বরূপ। তাই কিছু  হাল্কা খাবার সঙ্গে রাখুন। চকোলেট, বিস্কুট, বাদাম কিংবা কোন ফল।

 

৪। ইমারজেন্সি 

আপনার ঔষধ হঠাৎ শেষ হয়ে গেলেও যাতে সমস্যায় পড়তে না  হয়, তাই অন্তত ৩ দিনের ঔষধ আলাদা রেখে দিন। সুগার মাপার টেস্ট কিট এমন জায়গায় রাখুন যাতে সহজেই পাওয়া যায় । 

৫। রুটিন মাফিক জীবনযাপন  

নিয়মতান্ত্রিক ও রুটিন মাফিক  জীবনযাপন ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রনের জন্য আবশ্যক। তাই প্রতিদিনের জন্য একটি রুটিন তৈরি করুন । কখন এক্সারসাইজ করবেন, কখন খাবার খাবেন, কোন ঔষধ কখন খেতে হবে তার একটি 

তালিকা তৈরী করুন।  

 

ডায়বেটিস যদিও  সম্পুর্ন ভালো করা যায় না, তবুও নিয়ম মতো জীবনযাপন করলে সম্পুর্ণ সুস্থ মানুষের মত বেঁচে থাকা যায়   । 

 

 

 

Topics: Diabetes ডায়বেটিস স্বাস্থ্য।

ডায়াবেটিক রোগীদের যে ৫টি বিষয় একান্ত আবশ্যক

Login to comment login

Latest Jobs