শিশু-কিশোর বয়সের লক্ষণীয় বিষয়াবলীঃ

Education 20

শিশুর মনের যত্ন নিন। সুস্থ-স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠার জন্য সবার আগে মনের সুস্থতা জরুরী ।  

১। শিশু-কিশোর বয়স হলো দ্রুত কোন কিছু শিখার বয়স।  

২। চারপাশে যা দেখে সবই তাকে নতুন নতুন অভিজ্ঞতা প্রদান করে। ফলে চারদিকের পরিবেশ সম্পর্কে শিশুদের কৌতুহলের শেষ নেই। তাদের কৌতুহলের সঠিক জবাব দিন।  

৩। শিখার বয়সে ভূলতো হতেই পারে। কাজেই তাদের আচরণ খোলা মনে বুঝতে চেষ্টা করুন।  

৪। তারা বাবা-মাকে আদর্শ Model) হিসেবে গ্রহণ করে, তাদের আচরণ অনুকরণ করে এবং বাবা-মায়ের আবেগীয় স্পর্শ (Emotional touch) উপভোগ করে থাকে।  

৫। প্রতিটি শিশু সম্পূর্ণ আলাদা; একজনের আচরণের সাথে অন্যজনের আচরণের ভিন্নতা থাকবে।  এটাই একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।   

৬। সবকিছুতে ‘‘না না না’’-এমনটি না করে সঠিক বিষয়টি বুঝিয়ে বলুন।  

৭। নিজের মাঝে থাকা সীমাবদ্ধতা ও সমস্যার দিকে সবার আগে নজর দিন।  

৮। স্বামী-স্ত্রীসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন করুন।  

৯। সবধরণের বাচ্চার বুদ্ধি পরীক্ষা (IQ test) করা অতীব জরুরী। কেননা, অল্প বুদ্ধি কিংবা বেশী বুদ্ধি (IQ) ।  উভয় কারণেই বাচ্চাদের অবাধ্য হওয়া, অস্থিরতা, মনোযোগহীনতা মনে না থাকা, দিন দিন পরীক্ষার ফলাফল খারাপ করা, জানা বিষয় অসতর্কভাবে ভূল করার মত লক্ষণ দেখা দেয়।  

১০। বুদ্ধি পরীক্ষা (IQ test) করুন, সন্তানের সক্ষমতা সম্পর্কে সঠিক ধারণা লাভ করুন।  

অধ্যক্ষ আলাউদ্দিন আল-আজাদ  

Topics:

শিশু-কিশোর বয়সের লক্ষণীয় বিষয়াবলীঃ

Login to comment login

Latest Jobs